খেসারি ডাল (Khesari Dal) ৫০০ গ্রাম

৳  50.00

Out of stock

Categories: ,
Description

 

গাঁও গ্রামের পণ্য আপনাদের হাতে খাঁটি এবং প্রাকৃতিক পণ্য তুলে দেওয়ার জন্য বদ্ধ পরিকর। আমরা শুরু থেকেই আপনাদের মাঝে ভালো এবং মানসম্মত পণ্য দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। আর এই লক্ষ্য কে এগিয়ে নিতেই আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম পরিষ্কার এবং প্রাকৃতিক ভাবে উৎপাদিত খেসারি ডাল।
খেসারির ডাল এক ধরনের হলুদ বর্ণ উদ্ভিজ্জ বীজ বা কালাই যা ডাল হিসাবে চিহ্নিত।
বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে খেসারি ডাল প্রধান খাদ্যের অংশ। বিভিন্ন রকম পদের সাথে খেসারির ডাল খাওয়া হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম খেসারি ডালে রয়েছে
ক্যালরি ৩২৭ গ্রাম,
আমিষ ২২.৯ গ্রাম,
ক্যালসিয়াম ৯০ মি.গ্রা,
শর্করা ৫৫.৭ গ্রাম,
আয়রণ ও ফ্যাট ০.৭ গ্রাম।

খেসারি ডালের উপকারিতা
কতগুলি রোগে খেসারি ডালের উপকারিতা অতুলনীয়। সেগুলি হলো –
১। হাড় ও গাঁটের ব্যাথা।
২। বমি।
৩। কোষ্ঠকাঠিন্যে।
৪। নখকুনি হলে।
৫। রিকেট হলে।
১। হাড় ও গাঁটের ব্যাথা :-
পরিষ্কার খেসারির ডাল আধ পেশা করে আটগুণ পরিমান মদে ভিজিয়ে রাখতে হয়।এই পেষণ দিয়ে মালিশ করলে হাড় ও গাঁটের ব্যাথা সেরে যাই।
২। বমি :-
৩ গ্রাম খেসারির ডাল গরম জলে ভিজিয়ে রাখতে হয় একদিন। পরের দিন সকালে ও বিকেলে খেতে হয়।
৩। কোষ্ঠকাঠিন্যে :-
যাদের পায়খানা পরিষ্কার হয়না তাদের কয়েকদিন রাতে খেসারির ডালের জলটুকু লবণ মিশিয়ে খেতে হয়। পায়খানা পরিষ্কার হবে।
৪। নখকুনি হলে :-
খেসারির কচি দানা বেটে গরম করে অল্প গরম অবস্থায় নখকুনিতে প্রলেপ দিলে, এই রােগ সেরে যায়।
৫। রিকেট হলে :-
কিছু পরিমাণ পরিষ্কার খেসারির ডাল নিয়ে আধ লিটার জলে। সিদ্ধ করে নিতে হয়। সিদ্ধ করতে করতে পরিমাণ কমে এলে উনুন থেকে নামাতে হয়। তারপর ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ওপরের শুধু জল-এ লবণ মিশিয়ে খেতে দিতে হয়। শিশুর রিকেট ভাব অনেকটা কেটে যাবে।