লাল আমন চাল (Red Amon Rice)

Price range: ৳  448.00 through ৳  900.00

Weight 10 kg
Weight

10 kg

,

5 kg

SKU: N/A Categories: ,
Description

সেই অনাদীকাল থেকেই বাংলাদেশের মানুষ ভাতের উপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশীদের গৃহীত মোট ক্যালরির বেশিরভাগ অংশই আসে ভাত থেকে। এদেশের প্রান্তিক জনগণ তাদের জীবন ধারণ করে মোটামুটি ভাত খেয়েই। সুতরাং, বাংলাদেশের মানুষের পুষ্টি উন্নয়নে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই চাল।আমন (Aman) মূলত অর্ধসেদ্ধ চাল। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে আমন কোন ধানের নাম নয় বরং এটি একটি মৌসুমের নাম। সব ধানেরই কোন না কোন নাম আছে, তবে অনেকসময় কৃষকের চাষকৃত ধানের জাতের নাম না জানায় মৌসুমের নামে ডেকে থাকেন। এভাবেই আমন ধানের নামকরণ। মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, জামালপুর, শেরপুর, রাজশাহী, পাবনা সহ বাংলাদেশের আরও অনেক অঞ্চলে এই ধানের চাষ হয়ে থাকে।

আমন চাল লালচে রঙের চাল। এর আবরণে লাল রঙের একটি স্তর থাকে। তাই চাল ধোয়ার পানি কিছুটা লালচে বর্ণের হয়।

লালআমন (Aman) এর পুষ্টি উপাদান–
১। এই চালে রয়েছে নানা ধরনের কিছু পুষ্টি উপাদান যা আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য খুব দরকারী। শর্করা, পটাশিয়াম ,ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রণ, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম ইত্যাদি উপস্থিত থাকে।
২। এতে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার বা খাদ্য আঁশ যা আমাদের জন্য আবশ্যক।
৩। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। যার ফলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এই চাল বেশ উপযোগী।
৪। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর খুব ভালো উৎস।
৫। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশেই হ্রাস করা সম্ভব।
৬। এটি নিয়মিত গ্রহণ করলে গলগণ্ড, ক্যান্সার এর মতন রোগের ঝুঁকি কমে।
৭। এটি অনেকটা সময় পেট ভরা রাখে এবং ক্ষুধা কমায়। ফলে অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা যায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে আনা অনেকটাই সহজ হয়।
৮। পাকস্থলী এবং সর্বপরি পরিপাক তন্ত্রের ক্রিয়া সচল রাখতে বেশ কার্যকরী।
৯। এতে বিদ্যমান বিভিন্ন উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
১০। এতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম হাঁড় ও দাঁতের সুস্থতায় ভীষণ উপযোগী।
১১। এটি দৈনিক ম্যাঙ্গানিজ চাহিদার প্রায় ৮৮ শতাংশ পূরণে সক্ষম।
১২। সেলেনিয়ামের মতন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের যোগান ও শোষণ নিশ্চিত করে দেহকে সুরক্ষিত রাখে।

🎯গাঁও গ্রামের পণ্য থেকে আমন চাল কেনো নিবেন?

আমাদের আমন চাল অন্যদের থেকে আলাদা। কারন আমাদের এই চাল সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে নিজস্ব তত্বাবধানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। আমাদের এই চাল সম্পুর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় উৎপাদন করা হয় ফলে স্বাস্থ্যঝুকি অনেক কম। উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে গ্রহণ করা হয় বিশেষ ব্যবস্থা যাতে করে কোনোভাবে চালের গুনগত মান কমে না যায়। আমাদের চাল সম্পুর্ণ কঙ্কর বা মরা দানা মুক্ত তাই আপনি খেতে পারবেন নিশ্চিন্তে।

আপনাদের নিরাপদ খাবার পৌঁছে দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই এই চাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে আপনার টেবিলে পৌঁছানো অব্দি মান নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি। আপনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই আমরা সবসময় নিরাপদ খাবারের খোজে ছুটে যাই গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে।
শুধুমাত্র আপনাদেরকে বিশুদ্ধ খাবার উপহার দিব বলে। বর্তমান সময়ে খাবারে ভেজাল একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। হাজারো ভেজাল খাবারের ভিড়ে বিশুদ্ধ খাবার পাওয়াই বড় চ্যালেন্জ। আর এই চ্যালেন্জকে সামনে রেখে গাঁও গ্রামের পণ্য আপনাদেরকে নিয়মিত সরবরাহ করছে আপনাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি।
গাঁও গ্রামের পণ্য হল একটি অনলাইন স্টোর যেখান থেকে সারা বাংলাদেশের গ্রাহকরা ২৪×৭ কেনাকাটা করতে পারেন। আমরা আমাদের পন্য গ্রাহকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিবো ইনশাআল্লাহ।